সর্বশেষ সংবাদঃ

‘সামীন্তে হত্যার অজুহাত নেই, বন্ধে প্রয়োজনে পাল্টা জবাব’

০৫ জানুয়ারি,২০১৩

নিউজ ডেস্ক: বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আ স ম হান্নান শাহ বলেছেন, ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের হত্যা বন্ধে ব্যাপক কূটনৈতিক তত্পরতা চালাবে।

‘তবে কূটনৈতিক তত্পরতার পরও যদি এ হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তবে সরকার নিশ্চুপ বসে থাকবে না, পাল্টা গুলি চালাবে’- যোগ করেন তিনি।

রাজধানীর ইস্কাটনে বিএম মিলনায়তনে বিবিসির বাংলাদেশ সংলাপে হান্নান শাহ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএসএফ বাংলাদেশের সঙ্গে যা করছে তা বন্ধু রাষ্ট্রের ওপর করা সম্ভব নয়। বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে তাদের সামনে হত্যা বন্ধে দুটি পথ খোলা রয়েছে। তা হলো- এক. কূটনৈতিকভাবে হত্যা বন্ধ করা এবং দুই. সীমান্তে হত্যা বন্ধ না হলে নিউটনের তৃতীয় সূত্র অনুসরণ করা হবে। তৃতীয় সূত্র হলো- প্রত্যেক ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে।

ওই সংলাপে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু হান্নান শাহের কাছে জানতে চান, বিএনপি ২০০১ সালের পর ক্ষমতায় ছিল, তারা ওই সময় কী পদক্ষেপ নিয়েছে?

তিনি অভিযোগ করেন, ২০০১ সালের পর থেকে বিএসএফ এ কাজ করছে। কিন্তু বিএনপি তখন কী করেছে?

বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনা কোনো অজুহাতেই সমর্থনযোগ্য নয় বলেও মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী।

বিএসএফ যেভাবে সীমান্তে বাংলাদেশিদের গুলি করে হত্যা করছে, তা কোনো বন্ধু রাষ্ট্রের পরিচয় বহন করে কিনা- একজন দর্শকের এমন প্রশ্নের জবাবে ইনু বলেন, এ ধরনের হত্যাকাণ্ডের কোনো অজুহাত থাকতে পারে না।

তিনি বলেন, ‘সীমান্তে নিরস্ত্র জনগণকে হত্যা করা আমি সমর্থন করি না। আমি এ ঘটনার নিন্দা জানাই এবং ভারত সরকারকে এটি বন্ধ করার আহ্বান জানাই।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি- রাজনৈতিক দলের মন্ত্রী বা নেতা-নেত্রী যেই হোক না কেন, সীমান্তে হত্যাকাণ্ড চালানোর জন্য কোনো অজুহাত তৈরি করা উচিত নয়।’

সাম্প্রতিক সময়ে দিল্লিতে গণধর্ষণ এবং এরপর বাংলাদেশে কয়েকটি ধর্ষণের ঘটনার প্রেক্ষাপটে একজন শ্রোতা প্রশ্ন করেন- ‘বাংলাদেশে নারীরা নির্যাতিত হচ্ছে কেন?’

এর জবাবে প্যানেলিস্ট সারা আফরিন বলেন, ‘এ বিষয়ে যথেষ্ট নজর দেয়া হয়নি। বিষয়টিকে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু দিল্লির গণধর্ষণের পর তারা আমাদেরকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে, এভাবে চলতে পারে না। এর প্রতিবাদ করার দরকার আছে।’

তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমার কাছে মনে হয়- আমাদের দেশে যে সামাজিক সুশাসনের অভাব, এটা তারই একটি প্রতিফলন মাত্র।’

তবে সংলাপে একজন দর্শক বলেন, বাংলাদেশ নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে যথেষ্ট প্রতিবাদ নেই।

এরপর সারা আফরিন বলেন, ‘প্রতিরোধ ও প্রতিবাদের ক্ষেত্রে আমরা যারা এখানে বসে আছি, তারা তেমন কোনো দায়িত্ব নেইনি। তেমনি ওপরে যারা রাজনৈতিক শক্তি আছে, তারাও এ ব্যাপারে উদাসীন।’

তিনি বলেন, ‘পলিটিক্যাল উইল বলে একটি কথা আছে। আমরা বারবার এটির অবহলো দেখতে পাচ্ছি।’

এছাড়া সংলাপে সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাকিস্তান সফর নিয়ে আলোচকরা বিশেষজ্ঞ মত দেন।

এই সংলাপটি আগামীকাল রোববার রাতের অধিবেশনে বিস্তারিত প্রকাশ করা হবে।

রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম/বিবিসি বাংলা/একেএ/এসআই/এমআই_ ২৩২৪ ঘ.

অন্যান্য সংবাদ(জাতীয়)

পদ্মা কেলেঙ্কারি:পরিবারের কারো জড়িত থাকার অভিযোগ নাকচ প্রধানমন্ত্রীর

তথ্য-উপাত্তে দেখা যায়, এসএনসি বিভাগ নিয়মিতভাবেই সাংকেতিক ভাষায় নাইজেরিয়া, জাম্বিয়া, উগান্ডা, ভারত, কাজাখস্তানসহ অন্যান্য . . . বিস্তারিত

ঘূর্ণিঝড় ‘মহাসেনে’ উপকূলে কয়েক লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত

ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানার আশঙ্কা দেখা দেয়ায় দেশের ১৫টি উপকূলীয় জেলায় ৩ হাজার ২৯৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট ৯ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭২ জনকে স . . . বিস্তারিত

ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: ০১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com , info@real-timenews.com