সর্বশেষ সংবাদঃ

রাজনৈতিক অস্থিরতায় প্রবৃদ্ধি নিয়ে দুঃশ্চিন্তা

১৮ জানুয়ারি,২০১৩

নিউজ ডেস্ক: উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও রপ্তানি কমে যাওয়াকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য সবচেয়ে দুঃশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

জাতিসংঘের ‘বিশ্ব অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও পূর্বাভাস ২০১৩’ প্রতিবেদনে এমন চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

তবে এর মধ্যেও প্রবাসী আয়ের ওপর ভর করে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ এবং ভোক্তাচাহিদার ফলে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধি অনুকূলে ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও রপ্তানি কমে যাওয়ার কারণে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গত ১০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম অবস্থানে রয়েছে।

অবশ্য চলতি ২০১৩ সালে ভারতসহ দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কিছুটা বাড়লেও বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধিতে ক্ষেত্রে তেমন উল্লেখযোগ্য পবিরর্তন আসবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

জাতিসংঘের মতে, রাজস্ব আয়ের নিম্নমুখী প্রবণতা এবং জ্বালানি, খাদ্য ও সারে ভর্তুকি দেয়ায় ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি নিরাপত্তা খাতে বিপুল ব্যয়বৃদ্ধির কারণে এশিয়ার সার্বিক ফিসক্যাল ব্যালেন্সে চাপ বেড়েছে।

এছাড়া দক্ষিণ এশিয়ার কিছু এলাকায় খরা, খাদ্যের উচ্চমূল্য, স্থানীয় মুদ্রার উল্লেখযোগ্য দরপতন এবং জ্বালানি তেল ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির কারণে এ অঞ্চলে গড় ভোক্তা মূল্য সূচক ২০১১ সালে ১১ দশমিক ২ থেকে বেড়ে ২০১২ সালে ১১ দশমিক ৬ হয়েছে।

বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি কমেছে
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১২ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ দশমিক ২, যা গত বছরের চেয়ে দশমিক ৫ কম। চলতি বছর প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬ দশমিক ৩। আর ২০১৪ সালে সম্ভাব্য প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৪।

এছাড়া ২০১২ সালে দক্ষিণ এশিয়ার সার্বিক প্রবৃদ্ধি হলো ৪ দশমিক ৪, যা গত বছর ছিল ৫ দশমিক ৮। চলতি বছর প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫। আর ভারতের প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ৫ থেকে ৬ দশমিক ১ হতে পারে। প্রবৃদ্ধি কমতে পারে নেপালের।


প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশসহ আরো কয়েকটি দেশে প্রবাসী আয় বাড়লেও দক্ষিণ এশিয়ার শ্রমবাজারকে মৌলিক কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করতে হচ্ছে। এর মধ্যে বৃহৎ অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে কম উৎপাদনশীল কাজের প্রাধান্য এবং উচ্চমাত্রার যুব বেকারত্ব।

এদিকে, বিশ্ব অর্থনীতির দুর্বলতা এবং আঞ্চলিক বা দেশীয় ঝুঁকির কারণে দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনীতির সামনে কিছুটা ঝুঁকি থেকে যাচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র অথবা ইউরোপ বা চীনের অর্থনীতির পতন হলে দক্ষিণ এশিয়ার রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত এবং প্রবাসী আয়ের প্রবাহও কমতে পারে। এছাড়া ব্যালেন্স অব পেয়মেন্টের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম/ওয়েবসাইট/এসআই/এমআই_ ১৯৩২ ঘ.

অন্যান্য সংবাদ(অর্থনীতি)

দ্বিতীয় মেয়াদে ইসলামী ব্যাংকের এমডি’র দায়িত্বে আবদুল মান্নান

গবেষণা ও আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বিভিন্ন পদক ও সম্মাননা এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে অবদানের জন্য ‘রেমিট্যান . . . বিস্তারিত

চার হাজার পয়েন্ট ছাড়িয়েছে ডিএসই’র সূচক

আড়াই মাস পর দেশের প্রধান শেয়ার বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাধারণ সূচক ৪০০০ পয়েন্ট ছাড়িয়েছে। সর্বশেষ ফেব্রুয়ারির . . . বিস্তারিত

ফোন: +৮৮০-২-৮৩১২৮৫৭, ফ্যাক্স: +৮৮০-২-৮৩১১৫৮৬, নিউজ রুম মোবাইল: ০১৬৭৪৭৫৭৮০২; ই-মেইল: rtnnimage@gmail.com , info@real-timenews.com