ফখরুলদের গাড়ি পোড়ানো মামলা আট সপ্তাহ স্থগিত
|
 |
 |
 |
|
Mon 6 Aug 2012 9:09 PM BdST
|
ঢাকা, ৬ আগস্ট (রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম)-- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাশে গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ১৮ দলীয় জোটের নেতা-কর্মীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে দায়ের করা মামলার বিচার কার্যক্রম আট সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে ঢাকার ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের কার্যক্রমের উপর আট সপ্তাহের স্থগিতাদেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
সোমবার বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি খুরশীদ আলম সরকারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
হাইকোর্টের এ আদেশের ফলে মঙ্গলবার থেকে ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতে ওই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ হচ্ছে না।
এছাড়া ঢাকা মহানগর ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালত গঠন এবং এ আদালতের বিচারক হিসেবে মহানগর হাকিম হারুন অর রশিদকে দায়িত্ব দেওয়া কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তার কারণ জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।
আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে আইন, মন্ত্রিপরিষদ, জনপ্রশাসন সচিব, আইজিপি, সিএমএম ও হারুন অর রশিদকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বিএনপির যুগ্মমহাসচিব ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ওই মামলার আসামি হিসেবে রিট আবেদন করেন।
এ আদেশের পর রিট আবেদনকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক সাংবাদিকদের বলেন, আদালতের এ আদেশের পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের বিরুদ্ধে মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। রিট আবেদনকারীর পক্ষে আরেক আইনজীবী অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম বলেন, ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের কার্যক্রম স্থগিত করেছেন আদালত। একারণে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের বিরুদ্ধে ওই আদালতে বিচারাধীন মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেছেন, ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতের বিচার কার্যক্রম স্থগিত করেছেন। ফলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরদের মামলা কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। তিনি বলেন, এ আদেশের কারণে মঙ্গলবার ওই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ হবে না।
সকালে বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চে রিট আবেদনটির ওপর শুনানির জন্য ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, রফিকুল ইসলাম মিয়া, এজে মোহাম্মদ আলী, আহসানুল করিমসহ আইনজীবীরা উপস্থিত হন। তখন সংশ্লিষ্ট আদালতের ডেপুটি অ্যাটনির্ জেনারেল আলামীন সরকার বলেন, এ মামলায় অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করবেন। বেলা ১২টায় শুনানির জন্য সময় নির্ধারন করার জন্য আবেদন করছি।
এসময় ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বিরোধিতা করে বলেন, কয়েকদিন আগেই আদালত এ রিট আবেদনের ওপর শুনানির দিন ও সময় নির্ধারন করেন। তাই এখন সময় চাওয়া গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। এরপর আদালত বলেন, আমাদের একজন শুনানিতে বিব্রত বোধ করছেন। আমরা এটা প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি।
এসময় রফিক-উল হক বলেন, আমরা অন্য বেঞ্চে নিতে চাই। এরপর আদালত মামলাটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আদেশ দিয়ে বলেন, অন্য কোনো বেঞ্চে নেওয়ার স্বাধীনতা পাবেন রিট আবেদনকারী। এরপর রিট আবেদনটি বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে নেওয়া হয়।
শুনানিতে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেন, আইন শৃংখলা বিঘ্নকারী (দ্রুত বিচার) আইন-২০০২ (সংশোধন-২০১০) -এ ৮ ধারা অনুযায়ী সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তি দিয়ে দেশের যে কোনো জেলায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে। একই আইনে সরকার সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবে ও বিচারকের বিচারিক অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করবে। কিন্তু ঢাকার ৫ ও ৭ নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠনের ক্ষেত্রে সরকার কোনো গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। এটা সিএমএম একটি আদেশ দিয়ে আদালত গঠন ও এর বিচার নিয়োগ করেছে। যা বেআইনী। আর একারণেই রিট আবেদনটি করা হয়েছে। রিট আবেদনে ওই আদালত গঠন ও বিচারক নিয়োগ কেন অবৈধ ও বেআইনী ঘোষণা করা হবে না তা সেজন্য রুল চাওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ওই আদালতে মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করা হয়েছে।
এরপর আদালত রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য জানতে চান। এসময় সংশ্লিষ্ট আদালতে সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল ড. বশিরউল্লাহ বলেন, এ রিট আবেদনের ওপর অ্যাটর্নি জেনারেল শুনানি করবেন। তিনি আসছেন। কিন্তু আদালতে অ্যটর্নি জেনারেল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল বা ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হাজির না থাকায় আদালত ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আদালত বলেন, দুই ঘন্টা আগে সময় নির্ধারন করা হয়েছে। কেউ নেই। আমরা কি সব কাজ ফেলে রেখে তাদের জন্য বসে থাকবো? এর কয়েক মিনিট পর অ্যাটনির্ জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতে হাজির হন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানিতে বলেন, আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী সরকার ট্রাইবু্রনাল গঠন করবে ও বিচারক নিয়োগ করবে। ২০০২ সালের ১০ এপ্রিল প্রথম আইন করা হয়। এ আইনে একই বছরের ৮ মে ঢাকায় চারটি আদালত গঠন কর হয়। এসময় তিনি এ সংক্রান্ত গেজেটের কপি আদালতে দাখিল করেন।
তিনি বলেন, ২০০৮ সালে সিএমএম এনামুল হক দ্রুত বিচার আইনের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিচারকদের(ম্যাজিস্ট্রেট) নাম উল্লেখ করে তাদের জন্য দ্রুত বিচার আদালত গঠনের অনুমতি চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে। এরপর সরকার সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি সাপেক্ষে তা অনুমোদন করে। এটা গেজেট আকারে প্রকাশের জন্য বিজি প্রেসে পাঠায়।
এসময় আদালত বলেন, সরকার কি গেজেট জারি করেছে? কারণ তাদের মামলাই এখানে। জবাবে অ্যঅটর্নি জেনারেল বলেন, না। ছাপানোর জন্য পাঠানো হয়েছে।
আদালত বলেন, ২০০৮ সালে পাঠানো হলো। এখনও ছাপা হয়নি? এতেতো সরকারই বিপদে পড়বে। জবাবে অ্যর্টনি জেনারেল বলেন, সরকার অনুমতি দিয়েছে। এরপর বিজি প্রেসে গেছে। সেখানে হাজার হাজার সার্কুলেশন, নোটিশ, গেজেট ইত্যাদি ছাপানোর জন্য পাঠানো হয়। পর্যায়ক্রমে সব ছাপা হয়। তিনি এসময় ২০০৯ সালের একটি প্রজ্ঞাপন দেখিয়ে বলেন, সরকার দ্রুত বিচার আইনের মামলা বিচার করার জন্য বিচারক নিয়োগের জন্য সিএমএম বা তার মনোনীত কোনো সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যজিস্ট্রেটকে ক্ষমতা দিয়েছে। এতে সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন আছে।
তিনি বলেন, এখানে রুল জারির আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু কোনোভাবেই মামলার বিচার কাজ স্থগিত রাখার আবেদন করতে পারেন না। মামলার বিচার বন্ধ থাকতে পারে না।
মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। তাই এ পর্যায়ে তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১-এ ধারায় কোয়াশমেন্ট আবেদন করতে পারেন। অন্য কোনোভাবে আদালতে আসতে পারে না। তাই মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়।
এরপর রিট আবেদনের পক্ষে শুনানিতে অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম বলেন, এ মামলায় খুবই সাধারণ একটি প্রশ্ন জড়িত। আলোচিত ট্রাইব্যুনালের বিচার করার এখতিয়ার আছে কিনা। যদি এ ট্রাইব্যুনালের বিচার করার এখতিয়ার না থাকে তবে মামলার সকল বিচার কার্যক্রম অবৈধ হয়ে যাবে। তিনি বলেন, আইন শৃংখলা বিঘ্নকারী (দ্রুত বিচার) আইন,২০০২ (সংশোধিত ২০১০) এর ৮(১) ধারা অনুযায়ী গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারি করে দ্রুত বিচার আদালত গঠন এবং অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করবে সরকার। একই সঙ্গে ৮(২) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট আদালতে একজন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিবে সরকার। কিন্তু এ ক্ষেত্রে আইনের এ ধারা লঙ্ঘন করে মূখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) বিকাশ কুমার সাহা গত ৯ মে এক আদেশ দিয়ে মহানগর হাকিম মোহাম্মদ এরফান উল্লাহকে দ্রুত বিচার আদালতের বিচারক নিয়োগ দিয়েছেন। একই সঙ্গে তার অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করেছেন। যা বেআইনী।
এসময় অ্যাটর্নি জেনারেল দাঁড়িয়ে বলেন, ২০০৮ সালে সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জবাবে আদালত বলেন, মামলাও তো এখানেই।
এরপর আহসানুল করিম বলেন, মামলায় কাল (মঙ্গলবার) সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়ে যাচ্ছে। তাই শুধু রুল জারি করলে তার আর কার্যকারিতা থাকবে না।
এসময় অ্যঅটর্নি জেনারেল উত্তেজিত হয়ে বলেন, মামলায় কি কালই শাস্তি হয়ে যাচ্ছে?
জবাবে আহসানুল করিম বলেন, সাক্ষী শুরু হলে রুলের কার্যকারিতা থাকবে না। তাই রুল জারির পাশাপাশি মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আদেশ প্রার্থনা করছি। এরপর আদালত বেলা দুইটায় আদেশের জন্য সময় নির্ধারণ করেন। বেলা দুইটায় আদালত বসার পর তিনি এ আদেশ দেন।
গত ২৯ জুলাই ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের করা রিট আবেদনে সরকার গেজেট জারির পরিবর্তে গত ৯ মে মুখ্য মহানগর হাকিমের দেওয়া আদেশের মাধ্যমে বিচারকের বিচারিক এখতিয়ার নির্ধারণ করে দ্রুত বিচার আদালত -৭ গঠন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং ওই আদালতে বিচারাধীন বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় দায়ের করা মামলার চলমান কার্যক্রম কেন বেআইনী ঘোষণা করা হবে না, এই মর্মে রুল জারির আবেদন করা হয়।
আবেদনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাড়ী পোড়ানোর অভিযোগে ১৮ দলীয় জোটের নেতাকর্মীসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে করা মামলার কার্যক্রম স্থগিত চাওয়া হয়। এছাড়াও ওই মামলার যাবতীয় নথি হাইকোর্টে তলবেরও আবেদন করা হয়। বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দার ও বিচারপতি কাজী মো.ইজারুল হক আকন্দের বেঞ্চ শুনানির জন্য ৬ আগস্ট দিন ধার্য করেন।
এ মামলায় ৩১ জুলাই ৭ নম্বর আদালতে অভিযোগ গঠনের জন্য তারিখ নির্ধারণ ছিল। নির্ধারিত দিনে মামলার আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিট আবেদন করার কথা উল্লেখ করে অভিযোগ গঠন স্থগিত রাখার আবেদন করেন। কিন্তু বিচারক মোহাম্মদ এরফান উল্লাহ আদালত তাদের আবেদন গ্রহণ না করায় আইনজীবীরা আদালতের ওপর অনাস্থা জানান। এরপর সিএমএম মামলাটি ৫ নম্বর দ্রুত বিচার আদালতে পাঠান। এ আদালতে সেদিনই মামলায় ৪৬ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন এবং ৭ আগস্ট সাক্ষ্য গ্রহনের দিন ধার্য করেন।
এ অবস্থায় বিচারপতি নাঈমা হায়দারের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুনানিকালে রিট আবেদনকারীর আইনজীবী ৫ নম্বর আদালতের বিচারক নিয়োগের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সম্পুরক আবেদন করেন।
মামলার আসামিরা হলেন-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার, স্থায়ী কমিটির সদস্য বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব) আ স ম হান্নান শাহ, সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব) অলি আহমেদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খোন্দকার মোশারফ হোসেন, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, ছাত্রদলের সাবেক নেতা কামরুজ্জামান রতন, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, স্বনিভর্র সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম ফজলুল হক মিলন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সংসদ সদস্য ও ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি হাবিবুন-উন-নবী খান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আমীরুল ইসলাম খান আলীম, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিসুর রহমান খোকন, ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সভাপতি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন সরদার, ঢাকা মহানগর যুবদলের সেক্রেটারী রফিকুল ইসলাম মজনু, বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দল আহ্বায়ক ইয়াসিন আলী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম নীরব, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নিলু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক আঃ মতিন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রশীদ হাবিব, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক কামাল আনোয়ার আহমেদ লিটু, বিএনপি নেতা ও ৩৮ নম্বর ওয়াডের্র সাবেক কমিশনার আবুল বাসার, বিএনপি নেতা ও ৪০ নং ওয়ার্ড কমিশনার আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানা বিএনপি নেতা লুৎফর রহমান ওরফে এল রহমান, বিএনপির সাবেক ধর্মবিষয়ক সম্পাদক নবী সোলায়মান, খিলগাঁও থানা বিএনপির সভাপতি সাবেক কমিশনার ইউনুস মৃধা, তিতুমীর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ইসমাইল খান শাহীন, স্বেচ্ছাসেবক দল মোহাম্মাদপুর থানা শাখার সভাপতি মান্নান হোসেন শাহীন, ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখার যুগ্ম-সম্পাদক ওবায়দুল হক নাসির।
জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল হোসেন, ঢাকা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুল ইসলাম বুলবুল, ছাত্রশিবিরের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ও সেক্রেটারি আব্দুল জব্বার ওরফে জসিম মামলার শুরু থেকেই পলাতক।
গত ১০ মে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলাটিতে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। এরপর ২৭ মে ছাত্রশিবির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বারকে আসামি করে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করা হয়। গত ২৯ এপ্রিল তেজগাঁও থানায় ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়।
রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম/জেডকে/আরআই_ ১৫০৬ ঘ.
|
|
|
|
| পাঠকের মন্তব্য: |
| |
| |
| |
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন। সবগুলো ঘর পুরণ করা আবশ্যক: |
| |
|
|
|