মিশরের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ওমরের ইন্তেকাল |
 |
 |
 |
|
Fri 20 Jul 2012 1:15 AM BdST
|
ঢাকা, ১৯ জুলাই (রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম)-- মিশরের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান ও ভাইস প্রেসিডেন্ট জেনারেল ওমর সুলেমান যুক্তরাষ্ট্রে মারা গেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার জন্যে গিয়েছিলেন ওমর সুলতান। তিনি মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের খুব কাছের লোক ছিলেন।
তার বয়স হয়েছিল ছিয়াত্তর বছর। তার লাশ মিশরে ফিরিয়ে আনা হবে। শুক্রবার তাকে দাফন করা হবে।
ওই দাফন অনুষ্ঠানে মিশরের সেনাবাহিনী প্রধান ফিল্ড মার্শাল মোহাম্মদ তানতাবি যোগ দেবেন।
হোসনি মোবারকের পতনের পর ওমর সুলতান মিশরের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর আলোচিত হয়ে ওঠেন।
কিন্তু গত মে মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনর প্রার্থী হিসেব অযোগ্য প্রমাণিত হওয়ায় তিনি আমেরিকায় পাড়ি জমান।
ওমর সুলতান মিশর থেকে প্রথমে দুবাই, এরপর জার্মানি তারপর যুক্তরাষ্ট্রে সপরিবারে যান। ইদানিং তার স্বাস্থ্য ভাল যাচ্ছিল না।
১৯৯৩ সালে মিশরের গোয়েন্দা বিভাগের ভার নিয়ে তিনি টানা পনের বছর দায়িত্ব পালন করেন। তাকে হোসনি মোবারকের শাসনামলের অন্যতম একজন ক্ষমতাধর ব্যক্তি বলে মনে করা হত।
১৯৩৬ সালে ওমর সুলেমান মিশরের দক্ষিণাঞ্চলের কিনা শহরে জম্ম গ্রহণ করেন। উনিশ বছর বয়সে মিশরের সেনাবাহিনীতে যোগ দেন ওমর। এরপর রাশিয়া প্রশিক্ষণ নিতে যান তিনি।
১৯৬৭ ও ১৯৭৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যের দুটি যুদ্ধেই অংশ নেন ওমর সুলতান।
১৯৯৫ সালে ইথোপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় আফ্রিকার শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেয়ার পর হোসনি মোবারক ও ওমর সুলেমান এ হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান।
গত তিন সপ্তাহে ওমর সুলেমানের স্বাস্থ্যের দ্রুত অবনতি ঘটে। শ্বাসকষ্ট ছাড়াও হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। তার তিনটি কন্যা রয়েছে।
গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হিসেবে ওমর সুলেমান বেশির ভাগ সময় লোক চক্ষুর আড়ালে থাকতেন।
তবে হোসনি মোবারকের পতনের খবর ওমর সুলেমানই প্রথম টেলিভিশনে ঘোষণা দেন। এবং মিশরের শাসনভার সামরিক পরিষদের ওপর ন্যস্ত করেন।
ওমর সুলেমান মিশরের ব্রাদার হুডসহ ইসলামী দলগুলোর বিরোধী ছিলেন। মোহাম্মদ মুরসি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার পর ওমর সুলেমান হুঁশিয়ারী দেন যে, মিশর একটি মৌলবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম/জেডকে/আরআই_ ১৯১০ ঘ.
|
|
|
|
| পাঠকের মন্তব্য: |
| |
| |
| |
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন। সবগুলো ঘর পুরণ করা আবশ্যক: |
| |
|
|
|