বসনিয়ায় আরো পাঁচশ মানুষের দাফন
|
 |
 |
 |
|
Thu 12 Jul 2012 4:44 AM BdST
|
বিশ্ব ডেস্ক, ১১ জুলাই (রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম)-- বসনিয়ার সেব্রেনিতসায় সার্ব বাহিনীর গণহত্যার ১৭তম বার্ষিকীতে আরো পাঁচশ’ ব্যক্তির লাশ দাফন করা হয়েছে।
যাদের পুনরায় কবর দেয়া হয় তাদের মধ্যে ৪৮ জন কিশোর রয়েছে।
সেব্রেনিতসার পোতোতসারি মেমোরিয়াল সেন্টারে জানাযার নামাজে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেয়।
১৯৯৫ সালের ১১ জুলাই বসনিয়ার সেব্রেনিতসা শহরে বর্বর সার্ব বাহিনী মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে কমপক্ষে ৮ হাজার মুসলমান পুরুষ ও বালককে হত্যা করে।
বসনিয়ার মুসলমানদের ওপর সার্ব বাহিনীর চাপিয়ে দেয়া বলকান যুদ্ধের সময়কার ওই হৃদয়বিদারক ঘটনাকে জাতিসংঘ গণহত্যা বলে চিহ্নিত করেছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপে সেব্রেনিতসার এ গণহত্যা ছিল সবচেয়ে বর্বরোচিত ঘটনা।
বুধবার পোতোতসারি কবরস্তানে ৫২০ ব্যক্তির লাশ ফের দাফন করা হয়। জানাযা ও দাফন অনুষ্ঠানে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ অংশ নেন।
এসব হতভাগ্য ব্যক্তির লাশ অজ্ঞাত গণকবরে মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়।
গণকবর উদ্ধার অভিযানে সম্প্রতি তাদের লাশ উদ্ধার হয়।
সার্ব সেনারা তাদের বর্বরতাকে মাটি চাপা দিলেও ধীরে ধীরে তা জনসম্মুখে উন্মোচিত হচ্ছে।
এ পর্যন্ত সেব্রেনিতসা গণহত্যায় ৭ হাজার লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আরো হাজার খানেক লাশ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে বসনিয়ার মুসলিম নারী সেভদিজা হ্যালিলোভিচ অশ্রুসজল চোখে বলেন, আমাদের বেদনার কোন শেষ নেই। প্রতি বছর ১১ জুলাই আসলে এ বেদনা আমাদের কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে।
হ্যালিলোভিচ জানান, তার পিতার দেহাবশেষ একটি গণকবর থেকে উদ্ধার করা হলেও তার নিহত দুই ভাইকে এখনো পাওয়া যায়নি।
বসনিয়ার সব সরকারি ও আধা-সরকারি ভবনে বুধবার জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত ছিল। প্রতি বছর ১১ জুলাই দেশটিতে রাষ্ট্রীয় শোক পালন করা হয়।
হেগের আন্তর্জাতিক যুদ্ধ অপরাধ আদালতে সেব্রেনিতসা গণহত্যার প্রধান দুই হোতা রাদোভান কারাদজিচ ও রাতকো মিলাদিচের বিচার চলছে।
রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম/ওয়েবসাইট/আরআই_ ২২৩৮ ঘ.
|
|
|
|
| পাঠকের মন্তব্য: |
| |
| |
| |
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন। সবগুলো ঘর পুরণ করা আবশ্যক: |
| |
|
|
|