Real-time News Network

চন্দ্রকথা


ফখরুজ্জামান চৌধুরী

Tue 26 Jun 2012 3:25 AM BdST

rtnn

সেই কোন দূর অতীতে আমাদেরই কোনো নামপরিচয়হীন স্নেহপরায়ণা, অতিশয় আবেগপ্রবণ দাদি কিংবা নানিস্থানীয় বৃদ্ধা তার নাতি-নাতনির কাউকে কোলে নিয়ে বাড়ির আঙিনায় নির্মেঘ আকাশের নিচে তারা ঝিলমিল, চাঁদের মায়াবী আলোয় স্নিগ্ধ এক সন্ধ্যায় সুর করে গেয়ে উঠেছিলেন, \'আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা, চাঁদের কপালে চাঁদ টিপ দিয়ে যা...\'_ তার ইতিহাস খোঁজা নিরর্থক। এবং কেউ তা খুঁজতেও যায় না। তবে বিস্ময় জাগে_ গল্প বলা মানুষটি চাঁদকে কেন মামা সম্বোধনে শিশুর একান্ত আপনজন ভেবেছিলেন!

চাঁদকে তার স্নিগ্ধতার জন্য কল্পনায় স্ত্রী জাতের ভেবেই আমরা অভ্যস্ত। চাঁদের কোমল আলোয় যখন পৃথিবীতে আলো-ছায়ার অপূর্ব নকশা তৈরি হয়, তখন নিসর্গকে লাগে অপরূপ। কোনো শিল্পী কল্পনায় তার রঙ-তুলিতে এমন কাব্যময় চিত্র আঁকতে পারবেন না।

দূর আকাশের চাঁদকে নিয়ে আমাদের কল্পনার শেষ নেই। চাঁদের বুকে বসে অনন্তকাল ধরে চরকায় কাপড় বুনতে থাকা \'চাঁদের মা বুড়ি\' যুগের পর যুগ চরকা কেটেই চলেছে। তার চরকা কাটার অবসান কখনও হওয়ার নয়। যতদিন মানুষ বেঁচে থাকবে, যতদিন তার গল্প বলার কল্পনাশক্তি থাকবে, ততদিন চাঁদের মা বুড়ি তার সুতো কাটতেই থাকবে! বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণে চাঁদের যতই রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হোক না কেন, চাঁদ রয়ে যাবে চিরকালের রহস্যময় সেই মায়াপুরীই, যা পৃথিবীর সৃষ্টি থেকেই রয়েছে মানুষের কল্পলোকে।

একশ্রেণীর মানুষ, যারা সমুদ্রের তলদেশের রহস্য জানতে চান, পাতাল ফুঁড়তে চান অজানাকে জানতে; চাঁদ যে তাদের কাছে অপার রহস্যপুরী হিসেবে প্রতিভাত হবে, তাতে বিস্ময়ের কী থাকতে পারে! আর বিশেষ করে চাঁদ যখন সৌরজগতে পৃথিবীর নিকটতম জ্ঞাতি, একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ। চাঁদের রহস্য জানতে চাঁদ অভিমুখে অভিযানের শুরু সেই ১৯৫৯ সালে, যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন পাঠায় তার মনুষ্যবিহীন মহাকাশযান। এর পর শুরু হলো দুই পরাশক্তির মধ্যে চন্দ্র বিজয়ের প্রতিযোগিতা [চন্দ্রাভিযানের সময় সোভিয়েত ইউনিয়ন অখণ্ড ছিল। অন্যতম পরাশক্তি ছিল]। আর আমরা যারা চাঁদের অপার সৌন্দর্যে বিমোহিত, তারা অবাক বিস্ময়ে ভেবেছি, বৈজ্ঞানিক এই অভিযানের ফলে শেষ পর্যন্ত আমাদের অতি প্রিয় চাঁদকে বাস্তবতার কঠিন অভিঘাতে কী রূপেই না দেখতে পাব!

চাঁদের বুকে প্রথম পা রাখা মহাশূন্য পরিব্রাজক নিল আর্মস্ট্রং অভিভূত হয়ে পড়েছিলেন। অপার বিস্ময়ে তিনি করেছিলেন সংক্ষিপ্ত এক উক্তি :মানুষের এক ছোট্ট পদক্ষেপ হবে আগামী দিনে মানব জাতির জন্য বিশাল এক উল্লম্ফন ... দিস ইজ ওয়ান স্মল স্টেপ ফর অ্যা ম্যান, ওয়ান জায়ান্ট লিপ ফর ম্যানকাইন্ড।

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ওয়াপাকোনেটার অধিবাসী নিল আর্মস্ট্রং চন্দ্রযান অ্যাপোলো-১১ চড়ে চন্দ্র জয় করেছিলেন।
টেক্সাসের হিউস্টনের নাসা পার্কওয়েতে বিশাল এলাকাজুড়ে স্থাপিত স্পেস সেন্টার অভ্যাগতদের জন্য এক আকর্ষণীয় স্থান।

বাইরে বিশালাকৃতির চন্দ্রযানের রেপ্লিকা। ভেতরে মিউজিয়ামে চন্দ্রশীলা, যা আহরণ করেছিলেন নিল আর্মস্ট্রং চন্দ্রাভিযানের সময়। এ সবকিছুতে আমার বিন্দুযাত্র উৎসাহ ছিল না। চন্দ্রাভিযান যারা পরিচালনা করছেন, তারা তা করতে থাকুন। অজানাকে জানার দুর্বার ইচ্ছা মানুষকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে সভ্যতার শুরু থেকে। অনুক্ষণ সেই তাড়না সভ্যতার চাকাকে ঘূর্ণায়মান রেখেছে। কল্পনায় \'সিতারোঁ সে আগে জাঁহা ভি ��"র হ্যায়...\', কবি স্বপ্ন দেখেন। বিজ্ঞানীরা সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে চান। চাঁদের চরকা-বুড়ি নানি-দাদির কল্পনার বস্তু। বৈজ্ঞানিক তাকে বাস্তবে রূপ দিতে চান।
কঠিন বৈজ্ঞানিক বাস্তবতার কারণে তাই বলে চাঁদকে ঘিরে যেসব কল্পকথা রয়েছে, তার আবেদন কিছুমাত্র কমবে না। পৃথিবী থেকে যত দূরেই হোক না চাঁদের অবস্থান, তা চিরকাল থাকবে মানুষের অতি আপনজন হয়ে। চাঁদের আলো সি্নগ্ধ, পেলব_ ক্ষুব্ধ কবির ক্ষুধার রাজ্যে গদ্যময় পৃথিবীতে পূর্ণিমার চাঁদকে ঝলসানো রুটি কল্পনা সত্ত্বেও।

২.
রাতের নীল আকাশের এক কোণে চাঁদের হাসি যখন বাঁধ ভেঙে চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এক অনির্বচনীয় নৈসর্গিক সৌন্দর্যের অলৌকিক দৃশ্যপট সৃষ্টি করে, তখন মর্ত্যের মানুষের মনে কত যে ভাবের উদয় হয়! শিশু মনে তখন কাজলা দিদির স্মৃতি জাগরণের কাব্যিক দ্যোতনার কোনো ব্যাখ্যা হয় না।
এক অলৌকিক রাতে চাঁদের উদ্ভাসে মনে যে অনির্বচনীয় আনন্দের সৃষ্টি হয়েছিল তার বর্ণনা দিই।

জানুয়ারি মাসের পূর্ণিমাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আদিবাসী ইন্ডিয়ানরা বলেন \'নেকড়ে পূর্ণিমা\'-\'উলফ মুন\'। এমনই এক পূর্ণিমার পূর্বাভাস মিলেছিল ওকলাহোমার আবহাওয়া দফতর থেকে, ২০১০ সালে।
বিকেল নাগাদ শুরু হলো ঝিরঝির তুষারবৃষ্টি। অতি দ্রুত চারদিক ঢেকে গেল। ঘরের নিরাপদ পরিবেশে বোঝা যাচ্ছিল না বাইরে প্রকৃতিতে কী লীলাখেলা চলছে। মাঝে মাঝে টেলিভিশনের অনুষ্ঠান সম্প্রচারে বিঘ্ন ঘটলেই কিছুটা আঁচ করা যাচ্ছিল প্রকৃতির রুদ্ররোষের রূপ।

দুর্যোগপূর্ণ রাত বলে কি-না জানি না, চারদিকে জনমানবের তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। রাস্তায় গাড়ি-ঘোড়া বিরল। মনে হয় প্রতিবেশের প্রতিটি বাড়ির মানুষ প্রকৃতির খেয়ালিপনার কাছে আত্মসমর্পণ করে ঘুমিয়ে পড়েছে। রাস্তার লাইটপোস্টের মাথায় নিঃসঙ্গ বাতিগুলো রাতের মায়াবী সৌন্দর্যের পটভূমিতে আলো ছড়িয়ে যাচ্ছে শুধু।

বাসার সামনের এক চিলতে জমিনে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকা পাইন গাছটিকে সেই রাতে মনে হয়েছিল কল্পলোকের কোনো চিরঞ্জীব মহীরুহ! প্রকৃতির এমনই প্রভাব মানুষের মনে। চাঁদের পেলব আলোয় মায়াবী সৌন্দর্যের সঙ্গে যুক্ত হয় এক ধরনের আর্তি, হাহাকার। কী যেন না পাওয়ার বেদনা!

মাঝ রাতে ঘুম ভেঙে গেল। জানালার কাচের ভেতর দিয়ে আলো এসে পুরো কামরা আলোয় আলোময়। বাইরে তাকিয়ে দেখি, বাঁধভাঙা চাঁদের আলোয় পুরো কামরা আলোময়। সি্নগ্ধ, কোমল, পেলব আলোয় চারদিক ভেসে যাচ্ছে। নিচের জমিন সাদা বরফের আস্তরণে ঢাকা, আর পূর্ণিমার আলো তার ওপর পড়ে ঠিকরে পড়ছে চারদিকে। আকাশে রূপালি থালার বিশাল চাঁদ। জানুয়ারির পূর্ণিমা আমাদের দেশে মাঘী পূর্ণিমা।

রেড ইন্ডিয়ানদের উপকথায় আছে, এই পূর্ণিমার রাতে আদিবাসী পল্লীর বাইরে শীতার্ত রাতে ক্ষুধার্ত নেকড়ের দল চাঁদের দিকে তাকিয়ে সমস্বরে চিৎকার করে ওঠে।

একদা আদিবাসীদের বসতির ওপর আজ গড়ে উঠেছে মার্কিন সভ্যতা। আদিবাসীরা আশ্রয় নিয়েছে জঙ্গলাকীর্ণ দূরবর্তী জনপদে। সেখানে গড়ে উঠেছে তাদের নিজস্ব জগৎ। চিকাশ, চরোকি, আরও কত ট্রাইব।
পূর্ণিমার চাঁদকে আমাদের কবির কাছে ঝলসানো রুটি মনে হয়েছিল। ক্ষুধার্ত নেকড়েরাও শীতের রাতে চাঁদকে কোনো খাদ্যবস্তু ভেবেছিল কি-না কে বলবে! চাঁদকে দিয়ে দেশে দেশে কত কাহিনী, উপকথার জন্ম নিয়েছে! কেন চাঁদকে ঘিরে এই আবেগ, রহস্যময়তা! তার জবাব মেলে ব্রিটিশ ��"পন্যাসিক জোসেফ কনরাডের উক্তিতে। পোল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করা ব্রিটিশ ��"পন্যাসিক জোসেফ কনরাড [১৮৫৭-১৯২৪] বলেন :চাঁদের আলোয় এমন কিছু আছে, যা মানুষকে আবেগে তাড়িয়ে ফেরে। এই আলো অতৃপ্ত আত্মার জন্য এক রকম প্রশান্তির প্রলেপ এবং অজানা এক ধরনের রহস্য।

৩.
চাঁদকে ঘিরে আমাদের দেশে চরকা-বুড়ির গল্পে রয়েছে অবিরাম কাপড় বুনে যাওয়ার কল্পনা। অনেকটা এ রকমই কাপড়কে নিয়ে রহস্যময়তার উপাদান রয়েছে সূর্য-চাঁদের প্রণয় কাহিনীতে।

সূর্য ভালোবাসে চাঁদকে। তাকে বিয়ে করতে চায়। কিন্তু মন পায় না চাঁদের। প্রেমিকা চাঁদ সূর্যকে বিয়েতে সম্মতি দেওয়ার আগে একটি শর্ত পালন করতে বলে। সূর্যকে দিতে হবে এমন এক উপহার, যা চাঁদের শরীরে ঠিক ঠিক মানিয়ে যাবে। সূর্য তার প্রবল পরাক্রম নিয়ে চাঁদের জন্য তৈরি করে অতিশয় মনোরম এক পোশাক। কিন্তু হায়! সেই পোশাক তো চাঁদের শরীরে মানানসই হলো না। সূর্য নতুন পোশাক তৈরি করল। সেটিও লাগে না। এমনি করে সূর্য পোশাক তৈরি করে আর দেখে চাঁদের শরীরে তা মানায় না। হয় বড়, না হয় ছোট হয়। প্রতিদিন যে চাঁদের আয়তনে পরিবর্তন হয়। নতুন চাঁদ থেকে পূর্ণিমা পর্যন্ত চাঁদের হ্রাস-বৃদ্ধির খেলা চলছে অনন্তকাল ধরে। যেন প্রেমিক সূর্যের প্রেমে সাড়া দেওয়ার জন্য চাঁদের সঙ্গে করে চন্দ্রকলার এই হ্রাস-বৃদ্ধি।

বেচারা সূর্যের চলছে চাঁদের জন্য পোশাক তৈরি করার অন্তহীন প্রয়াস। সূর্য যতই পরাক্রমশালী হোক না কেন, চাঁদের সি্নগ্ধতা আর পেলবতার কারণে সে যে চাঁদের প্রণয়ে অন্ধ!

পৃথিবীর নিকটতম উপগ্রহ চাঁদ ঘণ্টায় ২৩০০ মাইল বেগে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। এই বেগে ২৭ দিন লাগে পৃথিবী প্রদক্ষিণ শেষ করতে।

নিকটতম এই প্রতিবেশীর পৃথিবী থেকে দূরত্ব ২ লাখ ৪০ হাজার ২৫০ মাইল বা ৩ লাখ ৮৪ হাজার ৪শ\' কিলোমিটার।

হোক না সুদূরে চাঁদের অবস্থান; চাঁদ যে আমাদের অতি নিকটাত্মীয়। কোনো সন্ধ্যায় মেঘের আড়ালে চাঁদ ঢাকা পড়লে পৃথিবী ঢেকে যায় বিষাদময় অন্ধকারে।

অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযানে চড়ে নিল আর্মস্ট্রং চাঁদের অমসৃণ বুকে পা রেখে বিস্মিত হয়ে ভেবেছিলেন, সুদূরের চাঁদ আজ তার পদানত। মুগ্ধ চিত্তে চাঁদের পিঠের ছবি তোলেন তিনি। ৮৫০ পাউন্ড চন্দ্রশিলা চাঁদের বুক থেকে সংগ্রহ করে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসেন তিনি।

বিজ্ঞানীরা চাঁদের রহস্য উন্মোচন করুন গবেষণাগারে। কিন্তু চাঁদ থাকবে আমাদের মনের আকাশে তার রহস্যময়তা নিয়ে। হিউস্টনের নাসা কমপ্লেক্সের সামনে দাঁড়িয়ে দেখছিলাম চন্দ্রযানের রেপ্লিকা। সেদিন ঝড়ো বাতাস বইছিল। বিশাল এলাকাজুড়ে স্থাপিত নাসা কমপ্লেক্সের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছিল বাতাস। আর আমি ভাবছিলাম, চাঁদের রহস্য কতটা জানবে মানুষ একদিন? সত্যি কি চাঁদের রহস্য পুরোপুরি জানা সম্ভব?
গল্প-গানের চাঁদের রহস্য হবে কি জানা?

# ফখরুজ্জামান চৌধুরী : কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক ও অনুবাদক

ঢাকা, ২৫ জুন/রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম/মতামত/এসবি

 


শেয়ার করুনঃ
পাঠকের মন্তব্য:
 
 
 
বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন। সবগুলো ঘর পুরণ করা আবশ্যক:
কীবোর্ড Bijoy      UniJoy      Phonetic      English
নাম:

স্থান:

ই-মেইল:
মন্তব্য:
 

 

অন্যান্য সংবাদ (মতামত)

কেউ কথা রাখেনি কাজী জহিরুল ইসলাম

ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ সময়ের দাবি শিখা ব্যানার্জী

আমাদের অর্থমন্ত্রী কাজী জহিরুল ইসলাম

প্রেমের মতো আর কিছু নয় আল মাহমুদ

সংকট থাকলে সমাধানও থাকে সতীশ চন্দ্র সরকার

চরবাসীরা কি মানুষ নয় ? শিখা ব্যানার্জী

সাদা মনের এক রাজা অংশৈ প্রুর সংগ্রাম

সেনা থেকে তালিবান? প্রশ্নের মুখোমুখি মুর্সি সব্যসাচী বসুরায় চৌধুরী

নগর পরিকল্পনায় কৃষি নিতাই চন্দ্র রায়

শুধু ২৪শে জুলাই আশিস পাঠক

পাকিস্তান-মার্কিন সম্পর্কে নতুন মোড় ফখরুজ্জামান চৌধুরী

তারপরও কি শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধ হবে না? এস এ মাহমুদ

প্রথম অসামরিক নির্বাচিত ইসলামপন্থী গৌতম রায়

চন্দ্রকথা ফখরুজ্জামান চৌধুরী

কতটা পথ হাঁটলে পরে চাকরি পাওয়া যায়? তাজুদ্দিন আহমেদ

ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন, তবু আমরা ইস্যু খুঁজছি অশোক মিত্র

স্বার্থের সন্ধানেই দিল্লি মায়ানমারের পথে সব্যসাচী বসুরায় চৌধুরী

গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ: আমার শংকা ( দ্বিতীয় অংশ ) ড. মুহাম্মদ ইউনূস

গ্রামীণ ব্যাংকের ভবিষ্যৎ: আমার শংকা (প্রথম অংশ ) ড. মুহাম্মদ ইউনূস

মিনার মাহমুদ: স্মৃতিমধুর দিনগুলোর কথা এবিএম সালেহ উদ্দীন