মিশরে আহমেদ শফিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থীতা হারাননি
|
 |
 |
 |
|
Fri 15 Jun 2012 4:37 AM BdST
|
বিশ্ব ডেস্ক, ১৪ জুন (রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম)-- মিশরের সাংবিধানিক উচ্চ আদালতের রায়ে জনগণের রাজনৈতিক ভোটাধিকার হরণ আইনটি অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে একই সাথে সংসদে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত এক তৃতীয়াংশ আসনও অসাংবিধানিক হয়ে যায়।
মিশরে আগামী সপ্তাহে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মোবারক আমলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী আহেমদ শফিক এ রায়ের ফলে প্রেসিডেন্ট প্রার্থীতা হারানো থেকে বেঁচে গেলেন।
এর আগে ইসলামপন্থীদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ একটি আইন পাশ করে, যাতে মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রার্থী মোহাম্মদ মুরসীর বিপরীতে ভোটের রাজনীতি থেকে আহমেদ শফিককে নিষিদ্ধ করার দাবি করা হয়। এ আইনকেই আজকের আদালত অবৈধ এবং অসাংবিধানিক হিসেবে রায় দেয়।
আইনটি পাশ হলে আহমেদ শফিক নির্বাচনের প্রার্থীতা হারিয়ে ফেলতেন। এতে করে আগামী নির্বাচনই বাতিল হয়ে পুনরায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রয়োজন হত।
মিশরে সংসদে সংরক্ষিত স্বতন্ত্র আসনের নিয়ম ছিল। যাতে জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হয়েও প্রার্থীরা রাজনৈতিক ভোটাধিকার হরণ আইনের সাংবিধানিক বৈধতার ভিত্তিতেই বৈধভাবে নির্বাচিত হত।
রায়ে এ আইন যদি অসাংবিধানিক না হত, তাহলে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী আহমেদ শফিকের মতো মোবারক আমলের অন্যান্য মন্ত্রীরা নির্বাচন থেকে নিষিদ্ধ হয়ে যেত।
এ রায় শোনার জন্য মিশরের হাজার হাজার জনগণ আদালত চত্বরে অপেক্ষা করছিলেন। কারণ আগামী ১৬ ও ১৭ জুনে মিশরে দ্বিতীয় দফা নির্বাচন এবং একইসাথে সংসদ নির্বাচনের ভবিষ্যত কি হবে এ রায়ের ওপরই তা নির্ভর করছিল।
সাধারণ জনগণ এবং আগামী সপ্তাহের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রার্থীদের অসংখ্য সমর্থক ব্যাপক কৌতুহল ও উত্তেজনা নিয়ে আদালতের বাইরে অপেক্ষা করছিল।
ফলে এখন আর কোন বাধা রইল না আগামী ১৬ ও ১৭ জুনে দ্বিতীয় দফা নির্বাচনে। তবে সংসদের এক তৃতীয়াংশ অসাংবিধানিক স্বতন্ত্র আসনগুলো স্থগিত হয়ে গেছে। এসব আসনে নতুন নির্বাচনের ঘোষণা না আসা পর্যন্ত এ আসনগুলো স্থগিত থাকবে। রিয়েল-টাইম নিউজ ডটকম/ওয়েবসাইট/এসটি/আরআই_ ২২৩২ ঘ.
|
|
|
|
| পাঠকের মন্তব্য: |
| |
| |
| |
| বাংলা (ইউনিকোডে) অথবা ইংরেজীতে আপনার মন্তব্য লিখুন। সবগুলো ঘর পুরণ করা আবশ্যক: |
| |
|
|
|